1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতারণা করে সম্পত্তি দখল ও অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে কুলাউড়ায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন কুলাউড়ায় স্বামীর পরকীয়া জানার রোষে নির্যাতন, বিষপানে স্ত্রী নিহত কুলাউড়ায় খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে প্রাণ গেলো ৩ শিশুর পৃথিমপাশায় ৩ শতাধিক গাছ কর্তন: প্রতিপক্ষের হুমকিতে বাড়ি ছাড়া নিরীহ কেরামত আলী  কুলাউড়ার কর্মধায় এক নিরীহ মহিলাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের পায়তারা জামায়াত চায় না আপনাদের পরিণতি অতীতের ফ্যাসিবাদীদের মতো হোক : ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ার কাদিপুরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তরুণ সমাজসেবক বাবলু-মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন কুলাউড়ায় আকস্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কুলাউড়ায় তিন শতাধিক পরিবার পেলেন জবেদা রউফ ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার কুলাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি শকু

প্রতারণা করে সম্পত্তি দখল ও অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে কুলাউড়ায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। কুলাউড়ায় প্রতারণা, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে, বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়া, প্রাণনাশের হুমকি ও গুম করার অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী স্বামী মোহাম্মদ মাসুক আহমদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রাবেয়া বেগম নামের এক ভুক্তভোগী নারী। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় কুলাউড়া পৌরশহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাবেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের ছালামতপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নানের মেয়ে। ২০০৩ সালের ২০ আগস্ট একই ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের মোহাম্মদ আহমদ উল্লার ছেলে মোহাম্মদ মাসুক আহমদের সাথে ৪০ লক্ষ টাকা দেনমোহরে আমার বিবাহ হয়। বিয়ের পর আমি আমার স্বামী মাসুক আহমদকে যুক্তরাষ্ট্রে আনি। সেখানে তাকে আমি প্রতিষ্ঠিত করাই। দেশে অনেক সম্পত্তি যৌথ ক্রয় করি। আমার মাধ্যমে স্বামী যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হবার পর তিনি তার সৎ মা আলতারুন বেগম, ভাই আজিজুর রহমান জীবন, বোন মাছুমা আক্তার জুলি ও উপমা আক্তার ঝুনিকে যুক্তরাষ্ট্রে নেন। বেশ কিছুদিন আমাদের সংসার ভালোই চলছিলো। বিয়ের পর আমার স্বামীর কথায় আমার প্রথম বাচ্চা নষ্ট করি। এরপর সন্তান নেয়ার চেষ্টা করলেও আর সন্তান হয়নি। একাধিক চিকিৎসা করাই। তিনটি জটিল অপারেশনও করাই। একপর্যায়ে আমার স্বামীর কারণে সংসারে নানা অশান্তি নেমে আসে। এরপর আমার স্বামী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঘন ঘন দেশে আসা শুরু করেন। একপর্যায়ে তার আসল চেহারা প্রকাশ পায়। বিয়ের পর থেকে নানা বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আমার স্বামী আমার ওপর বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতন থেকে শুরু করে শারীরিকভাবে মারধরও করেন। তাঁর বিতর্কিত সকল কর্মকান্ডের কারণে আমাদের ২৪ বছরের সংসার অশান্তি নেমে আসে। তিনি নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে দেশে ফিরে আমাদের দুইজনের যৌথ সমস্ত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে এককভাবে তাঁর দখলে নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, টিলাগাঁও ইউনিয়নের নয়াবাজারে ১২ শতাংশ জমিতে আমাদের দুইজনের যৌথ একটি বিল্ডিং রয়েছে। সেই বিল্ডিং থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হলেও আমি কোন ভাড়ার অর্থ পাচ্ছিনা। জমির দলিল একবার দেখানো হলেও দলিলের নম্বরবিহীন দলিল দেখানো হয়েছে। বাড়ির পিছনে ফিসারীতে আমার বাবার ৩৩ শতক জায়গা রয়েছে। কাগজপত্র থাকলেও ওই জমির দখলে যেতে পারিনি। এছাড়া বাড়ির সামনের পুকুরে ২৬ শতক জমি দুইজনের যৌথ রয়েছে। কিন্তু আজও ওই জমির দলিল ও ফর্সা আমি পাইনি। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আমাদের বিরোধ নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ওই বৈঠকের সময় ও স্থান আমার স্বামী মাসুক আহমদ নির্ধারন করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বৈঠকের একদিন আগে কাউকে না জানিয়ে দেশে চলে আসেন। আসার সময় আমার বাসা থেকে প্রায় ১০ হাজার ডলার মূল্যের স্বর্ণ নিয়ে আসেন। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি আমি দেশে ফিরে এসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আমার স্বামী ২০২৩ সালে দেশে এসে রাজনগর উপজেলার কামারচক ইউনিয়নের পঞ্চাহ্নপুর গ্রামে ঝুমি নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। সেই বিয়েতে আমার কোন অনুমতি নেয়া হয়নি। অনুমতির জন্য আমাকে বিভিন্নভাবে চাপ দিলে আমি রাজি না হওয়ায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। প্রতিকার চেয়ে টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে একটি আবেদন করলেও এখনো কোন প্রতিকার পাইনি।

তিনি বলেন, এখন আমার কিছু নেই। আমি নিঃস্ব। এক বেঈমান ও প্রতারককে বিশ^াস করে আমি ঠকেছি। আমার স্বামীর হুমকির ভয়ে আমি বাবার বাড়িতে না থেকে খালার বাড়িতে বসবাস করছি। আমি মানসিক যন্ত্রণা ও অশান্তিতে রয়েছি। আমার স্বামী নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে বলেন, তার দল এখন ক্ষমতায়। তিনি আমার বাবার বাড়ি জ¦ালিয়ে দিবেন। এমনকি তিনি আমাকে প্রাণনাশ ও গুম করার হুমকি দিচ্ছেন। বিষয়টি সরকার ও প্রশাসনের নজরে আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের যৌথ সম্পত্তি থেকে আমার প্রাপ্য সম্পত্তি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ মাসুক আহমদ ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাবেয়া আমার স্ত্রী। সন্তান নষ্ট হওয়ার সময় আমি দেশে ছিলাম। আমার শশুরের প্ররোচনায় পড়ে তিনি (স্ত্রী) সন্তান নষ্ট করেন। জমি জমার বিষয়ে তার মালিকানা থাকলে তিনি অবশ্যই জমি পাবেন। আমি দলীয় পরিচয়ে কোন হুমকি দেইনি।

এ বিষয়ে টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বাছিত বলেন, বিষয়টি অবগত। অভিযুক্ত মাসুক আহমদ স্ত্রীর প্রাপ্য সম্পত্তি ফিরিয়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো দেননি। তিনি গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন শুনেছি। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট