1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ার কাদিপুরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তরুণ সমাজসেবক বাবলু-মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন কুলাউড়ায় আকস্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কুলাউড়ায় তিন শতাধিক পরিবার পেলেন জবেদা রউফ ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার কুলাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি শকু কুলাউড়ায় অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি: ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেশে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাননি, এখন হার্ভার্ডে পড়তে যাচ্ছেন বড়লেখা আসিফ কুলাউড়া উপজেলার ৫১ টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ২ শ ২৪ প্যাকেট সৌদি সরকারের দেওয়া খেজুর বিতরন  কুলাউড়ার দুই কৃতী সন্তানের উপস্থিতি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে। কুলাউড়ায় ডাইনিং ডিলাইট রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা কুলাউড়ায় পরকিয়ার জেরে সিএনজি মালিককে পিটিয়ে হত্যা করলো গাড়ী চালক

কুলাউড়ার পাঁচ সন্তানই শ্রবণ ও বাক্‌প্রতিবন্ধী, হতাশায় দিন কাটে রামজনম গড়ের পরিবার

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

✍️ প্রতিবেদক | কুলাউড়ার দর্পণ

“ভগবান পাঁচটা সন্তান দিল, তারার মুখে কথা দিল না, কথা শোনার শক্তি দিল না”—এভাবেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে কথাগুলো বলছিলেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কালিটি চা-বাগানের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী রামজনম গড়।

আট সদস্যের পরিবারের সবাইকেই যেন জীবন বঞ্চনার কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে। স্ত্রী বাসন্তী গড় (৫৫) পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ছয় সন্তানের মধ্যে পাঁচজনই জন্ম থেকেই শ্রবণ ও বাক্‌প্রতিবন্ধী। কেবল একমাত্র মেয়ে সুমিত্রা গড় সুস্থ, যাঁর বিয়ে হয়েছে পাশের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই চা-বাগানে।

ছেলেরা হীরা (২২), যমজ কানাইলাল ও কৃষ্ণলাল, এবং সবার ছোট দীপক—সবারই এক অবস্থা। মেয়ের মধ্যে লক্ষ্মী গড়ও প্রতিবন্ধী। সংসার চলে কেবল বড় ছেলে হীরার সামান্য উপার্জনে। তিনি বাগানে কাজ করে দৈনিক ১৭০ টাকা মজুরি পান এবং কিছু রেশন পেয়ে থাকেন।

মাটির দেয়ালঘেরা ছোট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে এ পরিবার বসবাস করে। পরিবারের কর্তা রামজনম বয়সের ভারে আর চা-বাগানে কাজ করতে পারেন না। বর্তমানে তাঁর কর্ম বলতে বাড়ির দুটি গরুর দেখাশোনা—সকালে ঘাস খাওয়ানো আর বিকেলে ফিরিয়ে আনা।

রামজনমের কথায় উঠে আসে এক অসহায় বাস্তবতা, “আমরা আর কয় দিন বাঁচি! কিন্তু এই পোলাপাইনগুলার (পাঁচ সন্তান) জীবনটা কীভাবে চলবে, এই চিন্তায় ঘুম হারাম।”

প্রতিবন্ধী ভাতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, শুধু কৃষ্ণলালই কিছু বছর ধরে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। সম্প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বাকি চারজনকেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখানো হয় এবং তাঁদের প্রতিবন্ধী হিসেবে সনদ দেওয়া হয়েছে। এখন ভাতার আবেদন প্রক্রিয়াধীন।

এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ বর্মা বলেন, “রামজনম গড়ের পরিবারের বাকি চারজন সন্তানের ভাতার আবেদন প্রক্রিয়াধীন। পাশাপাশি সিলেটের শ্রবণ ও বাক্‌প্রতিবন্ধী আবাসিক বিদ্যালয়ে সবার ছোট দীপক গড়ের ভর্তি সম্ভব। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

রামজনম গড়ের পরিবারের কষ্ট শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি মানবিক সংকটও বটে। এই পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের সুহৃদদের এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট