1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ার কাদিপুরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তরুণ সমাজসেবক বাবলু-মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন কুলাউড়ায় আকস্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কুলাউড়ায় তিন শতাধিক পরিবার পেলেন জবেদা রউফ ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার কুলাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি শকু কুলাউড়ায় অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি: ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেশে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাননি, এখন হার্ভার্ডে পড়তে যাচ্ছেন বড়লেখা আসিফ কুলাউড়া উপজেলার ৫১ টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ২ শ ২৪ প্যাকেট সৌদি সরকারের দেওয়া খেজুর বিতরন  কুলাউড়ার দুই কৃতী সন্তানের উপস্থিতি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে। কুলাউড়ায় ডাইনিং ডিলাইট রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা কুলাউড়ায় পরকিয়ার জেরে সিএনজি মালিককে পিটিয়ে হত্যা করলো গাড়ী চালক

শমশেরনগর চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে ছায়াবৃক্ষ চায়ের উৎপাদনে প্রভাব ও পরিবেশের উপর হুমকি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার । কমলগঞ্জ উপজেলার ডানকান ব্রাদার্স শমশেরনগর চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে বৃহদাকারের শেডট্রি বা ছায়াবৃক্ষ। দীর্ঘ সময় ধরেই একটি মহল চা বাগানের সেকশন থেকে গাছ কেটে পাচার করছে। এতে চায়ের উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে, আবার পরিবেশের জন্যও হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। তবে চা বাগান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে পূজাপার্বনে জ্বালানির জন্য শ্রমিকরা মৃত গাছ কেটে নিচ্ছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শমশেরনগর চা বাগান শ্মশানঘাট সংলগ্ন স্থান থেকে ২টি বৃহদ আকাশমনি গাছ কেটে নেয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার শমশেরনগর-পীরেরবাজার সড়ক ধারে শ্মশানঘাট সংলগ্ন শমশেরনগর চা বাগানের সেকশন থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে দু’টি আকাশমনি গাছ কর্তন করা হয়। চা বাগান সর্দার আহাদ মিয়া কয়েকজন চা শ্রমিক দিয়ে গাছ কর্তন করেন। বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া কর্তনকৃত গাছগুলোকে খণ্ডাংশ করে চা বাগানের ট্রাক্টর যোগে বাগানের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। দু’টি গাছই বৃহদ আকৃতির ও জীবিত গাছ। এগুলো চা গাছের ছায়াবৃক্ষ হিসাবে ভূমিকা রাখছে।

গাছ কর্তনের বিষয়ে আহাদ মিয়া বলেন, চা বাগান ব্যবস্থাপকের অনুমতি সাপেক্ষে জ্বালানির জন্য গাছগুলো কেটে নেয়া হচ্ছে। এভাবে আরও কিছু গাছ কেটে নেয়া হয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চা শ্রমিক বলেন, আহাদের মাধ্যমে চা বাগানের শত শত গাছ রাতের আঁধারে কেটে নেওয়া হচ্ছে। ফলে সেকশনগুলো বৃক্ষশূন্য হচ্ছে।

এদিকে শমশেরনগর এর ফাঁড়ি দেওছড়া, ডবলছড়া, কানিহাটি চা বাগানসহ বিভিন্ন চা বাগানে পুরনো ও বৃহদাকার গাছ চুরি হচ্ছে। সেকশনের পুরনো কড়ই, আকাশমনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালি কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। এই গাছগুলো চা গাছের ছায়ার যোগান দেয়। এই গাছগুলো একদিকে চা বাগানে অতিবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কবল থেকে চা গাছকে রক্ষা করছে। এজন্য চায়ের টিলাগুলো বৃক্ষরাজিতে ভরপুর থাকে। অন্যদিকে বিশাল চায়ের টিলায় গাছগুলো মাটির ক্ষয়রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। চা বাগানের শেডট্রিগুলো চায়ের উৎপাদন, মাটির ক্ষয়রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে। তবে গাছ কর্তন করে ফেলায় চায়ের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে আবার পরিবেশের জন্য হুমকি হয়েও দেখা দিচ্ছে।

পঞ্চায়েত নেতারা জানান, বাগান থেকে গাছগাছালি ও কাঁচা চা পাতা চুরি হচ্ছে। গাছ চুরি হয়ে যাওয়ায় টিলাগুলো বৃক্ষ শুন্য হয়ে পড়ছে। এজন্য চা গাছেও ছায়া থাকবে না। ফলে বাগানের ও শ্রমিকদের বড় ধরণের ক্ষতি হবে। এসব বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা ম্যানেজমেন্টকেও বলেছি।

এ ব্যাপারে শমশেরনগর চা বাগানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক এম.বি.সাজ্জাদুর হক গাছ কর্তনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শ্রমিকরা জ্বালানি কাঠের জন্য মরা গাছ কাটছেন। সামনে দুর্গাপূজা আসছে, তাদের জ্বালানি কাঠের প্রয়োজন থাকায় গাছ কেটে নিচ্ছেন। তবে জীবিত ও বৃহদ সাইজের গাছ কাটা হলে খতিয়ে দেখা হবে।

এ ব্যাপারে রাজকান্দি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা জুয়েল রানা বলেন, চা বাগান থেকেও গাছ কর্তন করতে হলে বনবিভাগের অনুমতি প্রয়োজন। এবিষয়ে আমরা খোঁজ নিয়ে দেখবো।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট