1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার -২,কুলাউড়া সংসদীয় আসন পরিবর্তনের পর তা ডাঃ জুবায়দার প্রতি উৎসর্গ করবো …..সিলেট বিভাগবন্ধু আবেদ রাজা কুলাউড়ায় ১শ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি: ভারত সীমান্তবর্তী কর্মধায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে : ২ জনের মৃত্যু পাকিস্তানের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও “ডন” পত্রিকার সম্পাদক কুলাউড়ার আলতাফ হোসেন দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত “দুই সেতুর ঝুঁকিতে হাজারো মানুষের জীবন—ভবানীপুর ও লক্ষীপুরে জরুরি সংস্কারের দাবি” জুড়ীতে স’মিল ৩ লক্ষ টাকার বেশি বকেয়া বিল নিয়ে মালিকের নাটকীয় কাণ্ড কুলাউড়ার গৌরব ব্যারিস্টার মোন্তাকীম চৌধুরী: সংগ্রাম, রাজনীতি ও রাষ্ট্রগঠনের এক জীবন্ত ইতিহাস কাতার যাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর ৮০০ সদস্য গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: কুলাউড়ার তরুণীর মৃত্যু, আরেকজন লাইফ সাপোর্টে কুলাউড়ার কাদিপুরের গৌরব: ক্ষীরোদ বিহারী সোম ও তাঁর উত্তরসূরি

ক্লাসের চঞ্চল শিশুরাই কি বেশি মেধাবী? একটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি…

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ক্লাসরুমের সেই দুষ্টু, চঞ্চল বা যাকে আমরা ‘অস্থির’ বলি, সেই শিশুটিই অনেক সময় হয়ে ওঠে সবচেয়ে মেধাবী ও সৃষ্টিশীল। শান্ত, শিষ্ট ও চুপচাপ বাচ্চারাই বেশি বুদ্ধিমান—এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং বৈজ্ঞানিকভাবে দেখা যায়, চঞ্চলতার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রখর মস্তিষ্ক।

চঞ্চল দুষ্ট শিশুদের ব্রেইন

চঞ্চল শিশুর ব্রেইনে থাকে এক ধরনের হাই-স্পিড প্রসেসর। তাদের sensory system বা ইন্দ্রিয়গ্রাহক ক্ষমতা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ; তারা শব্দ, আলো, মুখভঙ্গি বা ক্ষুদ্র পরিবর্তন দ্রুত ধরতে পারে। এসব তথ্য তাদের executive function মুহূর্তেই বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়। এর ফলে তৈরি হয় একধরনের high cognitive arousal—যা প্রকাশ পায় অতিরিক্ত কৌতূহল, প্রশ্ন করা, পরীক্ষা করে দেখা বা নতুন কিছু সৃষ্টি করার প্রবণতায়।

যা আমরা অনেক সময় ‘দুষ্টুমি’ বলি, তা আসলে সৃজনশীল মস্তিষ্কের প্রাকৃতিক প্রকাশ হতে পারে।

শান্ত শিষ্ট বনাম চঞ্চল: মেধার ভিন্ন রূপ

শান্ত শিশু গভীর মনোযোগে চিন্তা করে। কিন্তু চঞ্চল শিশু শিখে অনুসন্ধান ও পরীক্ষার মাধ্যমে। তারা নতুন উদ্দীপনা ও চ্যালেঞ্জে আনন্দ খুঁজে পায়। যখন শ্রেণীকক্ষের ছন্দ তাদের মানসিক গতির সঙ্গে মেলে না, তখন তাদের শক্তি ‘অস্থিরতা’ হয়ে প্রকাশ পায়। আসলে এটি একধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক অতিপ্রবাহ—যা সঠিকভাবে পরিচালিত হলে সৃষ্টিশীলতায় রূপ নেয়।

তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন:

সব চঞ্চলতা কিন্তু মেধার চিহ্ন নয়। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে এটি হতে পারে ADHD (Attention-Deficit/Hyperactivity Disorder)—একটি স্নায়ুবিক বিকাশজনিত অবস্থা, যেখানে মনোযোগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা থাকে। এসব শিশুর জন্য দরকার বোঝাপড়া, পেশাদার মূল্যায়ন ও সহানুভূতিশীল সহায়তা—শাসন নয়।

চঞ্চল বা দুষ্ট দেখলেই বকাঝকা নয়:

পরের বার কোনো চঞ্চল শিশুকে দেখলে তাকে ‘দুষ্টু’ বলে বকাঝকা না দিয়ে তার কাজের প্রতি মনোযোগী হোন। তার ব্রেইন হয়তো একটি হাই-পারফরম্যান্স স্পোর্টস কার, যা সাধারণ গতিতে আটকে থেকে এবং অস্বস্তি বোধ করে।

হয়ত এই শিশুরাই হতে পারে আগামী দিনের বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক বা শিল্পী—যদি আমরা তাদের শক্তিকে সঠিক পথে চালনা করতে পারি। মেধা কেবল শান্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; অনেক সময় সেটি চঞ্চলতার মধ্য দিয়েই দীপ্ত হয়ে ওঠে।

ডা. সাঈদ এনাম

সহযোগী অধ্যাপক সাইকিয়াট্রি

ইন্টারন্যাশনাল ফেলো

আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট