1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার -২,কুলাউড়া সংসদীয় আসন পরিবর্তনের পর তা ডাঃ জুবায়দার প্রতি উৎসর্গ করবো …..সিলেট বিভাগবন্ধু আবেদ রাজা কুলাউড়ায় ১শ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি: ভারত সীমান্তবর্তী কর্মধায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে : ২ জনের মৃত্যু পাকিস্তানের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও “ডন” পত্রিকার সম্পাদক কুলাউড়ার আলতাফ হোসেন দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত “দুই সেতুর ঝুঁকিতে হাজারো মানুষের জীবন—ভবানীপুর ও লক্ষীপুরে জরুরি সংস্কারের দাবি” জুড়ীতে স’মিল ৩ লক্ষ টাকার বেশি বকেয়া বিল নিয়ে মালিকের নাটকীয় কাণ্ড কুলাউড়ার গৌরব ব্যারিস্টার মোন্তাকীম চৌধুরী: সংগ্রাম, রাজনীতি ও রাষ্ট্রগঠনের এক জীবন্ত ইতিহাস কাতার যাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর ৮০০ সদস্য গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: কুলাউড়ার তরুণীর মৃত্যু, আরেকজন লাইফ সাপোর্টে কুলাউড়ার কাদিপুরের গৌরব: ক্ষীরোদ বিহারী সোম ও তাঁর উত্তরসূরি

কমলগঞ্জের বাঁশ মহাল এক দশক ধরে ইজারা হয়নি-পাচার ও বিনষ্ট হচ্ছে বাঁশ, হারাচ্ছে রাজস্ব

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার। কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বনের অধীনে থাকা ৭টি বাঁশ মহাল দীর্ঘ এক দশক ধরে ইজারা হয়নি। ফলে মহালের বাঁশ বনে পঁচে বিনষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি চোরাকারবারিদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে বিপুল পরিমাণ বাঁশ। এতে বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সঙ্গে যোগসাজশে পাচারকারীদের অবাধ দৌরাত্ম্য বেড়ে চলেছে। আর বছরের পর বছর সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

জানা যায়, রাজকান্দি বন রেঞ্জের অধীনে কুরমা, আদমপুর ও কামারছড়া বনবিট রয়েছে। এর মধ্যে আদমপুর ও কুরমা বনবিটে লাউয়াছড়া, চম্পারায়, বাঘাছড়া, ডালুয়াছড়া, কুরমাছড়া, সোনারাইছড়া ও সুনছড়া বাঁশ মহাল অবস্থিত। মহালগুলোতে প্রচুর বাঁশ থাকলেও গত এক দশক ধরে ইজারা দেওয়া হচ্ছে না। দর কমানোর অজুহাতে ইজারাদারদের সিন্ডিকেট দরপত্রে অংশ নিচ্ছে না। ফলে একদিকে মহালের বাঁশ অযত্নে নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ট্রাক, পিকআপ, ঠেলাগাড়ি ও নদীপথে পাচার হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এসব পাচার হচ্ছে। অভিযোগ করলে তা ‘বাড়িঘরের বাঁশ’ বলে দায় এড়ানো হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, শিগগির পদক্ষেপ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যেই মহালগুলোতে বাঁশের অস্তিত্ব থাকবে না।

পরিবেশকর্মীরা বলছেন, একসময় বৈধভাবে ইজারা দিয়ে এসব বাঁশ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করা হতো। এখন মহালে পর্যাপ্ত বাঁশ না থাকায় এবং চুরি সহজ হওয়ায় কেউ ইজারা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি সালেহ সোহেল বলেন, চুরি করে বাঁশ বিক্রি করা সহজ হওয়ায় মহালদাররা আর দরপত্রে আসছেন না। এখনই শক্ত পদক্ষেপ না নিলে বাঁশ, বেত, গাছ এমনকি বনের প্রাণীও হারিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে সিলেট বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫-২৬ সালের জন্য গত ২০ এপ্রিল দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো মহালদার তাতে সাড়া দেননি। পূর্বে প্রতিযোগিতামূলক দর হাঁকানোর পর ইজারা না নেওয়া, মামলা করে জটিলতা তৈরি এবং দরপত্রের চেয়ে ক্রয়মূল্য বেশি হয়ে যাওয়া—এসব কারণে মহাল ইজারা ব্যাহত হচ্ছে।

মৌলভীবাজার বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নাজমুল আলম জানান, বিভিন্ন জটিলতার কারণে বাঁশ মহাল ইজারা দেওয়া যাচ্ছে না। মহালে কী পরিমাণ বাঁশ আছে তা পরিমাপ করছে ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগ। রিপোর্ট হাতে পেলেই যেসব মহাল ইজারা দেওয়া সম্ভব, সেগুলো দেওয়া হবে।

এদিকে সাবেক কয়েকজন ইজারাদার বলেন, বাঁশের বাজারমূল্য তুলনায় দরপত্রের মূল্য অনেক বেশি পড়ে যায়, তাই মহাল নেওয়া লোকসানের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে দীর্ঘ এক দশক ধরে অনিয়ম, পাচার ও অযত্নে নষ্ট হচ্ছে কমলগঞ্জের বাঁশ মহাল, আর বঞ্চিত হচ্ছে সরকারি রাজস্ব।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট