
স্টাফ রিপোর্টার।। ছবিতে যে কবর দুটি দেখতে পারছেন এর মধ্যে একটা তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ আলীর কবর। বগুড়া শরীফ উদ্দিন সুপার মার্কেট(সাবেক আলতাফ আলী মার্কেট) এর মধ্যে রয়েছে এই কবর। এই মার্কেট সহ আশেপাশে শত শত বিঘা জমির মালিক ছিলেন এই মোহাম্মাদ আলী। তার বসবাস করার জন্য ছিল বিশাল বড় প্যালেস। তিনি ছিলেন অবিভক্ত পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী। মৃত্যুর পর তাকে প্যালেসের পাশে এই জায়গায় সমাহিত করা হয়। কালে কালে তার সকল সম্পদ দখল, বিক্রি হয়ে গেছে। তার বসবাস করা প্যালেস মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে, একটা অংশ নিয়ে তৈরি হয়েছে সুউচ্চ রানার প্লাজা। তার কবরের জায়গাটুকু আগে পুরোটা ঘেরা ছিল। মানুষ ঢুকতে পারতোনা, এখন সেটাও ভেঙ্গে ভিতর দিয়ে রাস্তা করা হয়েছে । হয়তো কিছুদিন পর এই কবরও ভেঙ্গে দোকান তৈরি হবে। কবরের উপর কিছু কিছু জায়গায় ফুলের গাছ লাগানোর জন্য খোপ খোপ করা ছিল। সেখানে এখন ফুলের গাছ নেই, আছে শুধু আগাছা। এই কবরের ভিতর দিয়ে হাজার হাজার লোক প্রতিদিন কেনাকাটা করতে যায়৷ বেশিরভাগ লোক জানেইনা যে এটা একসময়কার পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীর কবর।
একজন প্রধানমন্ত্রীরই কবর মানুষ চিনতেছেনা, আপনি আমি কোন ক্ষেতের মুলা যে মানুষ মনে রাখবে। মৃত্যুর একবছরের মাথায় দুনিয়ার লোকজন আমাদের ভুলে যাবে। তাহলে কিসের আশায় জমাজমি নিয়ে এত ক্যাচাল ঝগড়া ফ্যাসাদ করেন যেখানে আপনার কবরের সাড়ে তিনহাত জমিও মানুষ দখল করে একদিন বাড়িঘর বানায়ে ফেলবে। আপনার কবরের মাটিটুকুও আপনার থাকবেনা।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।