1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিশুদের ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে বাসা বাড়ি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক নির্যাতনের ভয়াবহ পরিণতি! কুলাউড়ার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায়: বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি—– কুলাউড়ায় দিনেদুপুরে দুধর্ষ ছিনতাই, টাকা ও মোবাইল লুট কুলাউড়ায় ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ফানাই নদের বাঁধের ব্লক ধসে গেছে কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কে নির্মাণাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যাহত মনুলিপিতে মানহানিকর মিথ্যা সংবাদ: আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন ব্রাহ্মণবাজার বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান কুলাউড়ায় হামের আ”ত”ঙ্ক,হাসপাতালে ভর্তি ৮ শিশু কুলাউড়ায় টানা বৃষ্টিতে হাওর ডুবেছে, তলিয়ে যাচ্ছে বোরো ধান প্রেসক্লাব সভাপতি ও যুগান্তর প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি কুলাউড়ার লুয়াইউনি বাগানে চা শ্রমিকদের টাকা আত্মসাতের মামলায় অবশেষে সভাপতি অজিত কৈরি জেল হাজতে

কুলাউড়ার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায়: বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি—–

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ।। কুলাউড়া উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম।কুলাউড়ার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় এসেছেন। প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন শনি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দুপুরের নাস্তা। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে ইতিবাচক পরিবর্তন। নিয়মিত টিফিন বিতরণের ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং পড়াশোনায় ফিরেছে নতুন উদ্দীপনা।

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠছে স্কুল প্রাঙ্গণ। স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় সপ্তাহভিত্তিক রুটিন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে বিষ্কুট, কলা, রুটি, ডিম ও দুধ। পুষ্টিকর এই খাবার শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করে তুলছে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে অনেক শিক্ষার্থী খালি পেটে স্কুলে আসত, ফলে ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো। বর্তমানে টিফিন পাওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে ক্লাসে অংশ নিচ্ছে এবং তাদের শেখার আগ্রহও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ -বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন,স্কুল ফিডিং কর্মসুচী শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কুলাউড়ার ১ শত ৯৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে পুষ্টিকর খাবার। ইউএনও মহোদয়সহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ স্কুল ফিডিং কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।তিনি বলেন,মৌলভীবাজার জেলার মধ্যে কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। কুলাউড়া উপজেলার ২৮ হাজার শিক্ষার্থী এ কার্যক্রমের আওতায় সুবিধা পাচ্ছেন।এই কার্যক্রমের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুলে আসার আগ্রহ বেড়েছে এবং ঝরে পড়ার হার কমেছে।

এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন বলেন,স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে সহায়ক হবে।”

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের বক্তব্য স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সরকারের একটি যুগান্তরকারী পদক্ষেপ। তবে নিয়মিত ঠিকাদারের কার্যক্রম মনিটরিং করা,পণ্যের মান যাচাই,সিডিউল মোতাবেক সুষম বন্টন নিশ্চিত করা হলে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের সুফল পাবে কুলাউড়ার ২৮ হাজার ছোট ছোট শিক্ষার্থী।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট