1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত মানসিক রোগ লজ্জা নয়, চিকিৎসাযোগ্য বাস্তবতা” কুলাউড়ার মনুর বুকে ড্রেজারের হানা শঙ্কার মুখে স্বপ্নের সেতু বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ভারতীয় দম্পতি আটক কুলাউড়া মনু নদী থেকে উদ্ধার নিখোঁজ ভারতীয় যুবকের লাশ বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করলো কুলাউড়া থানা পুলিশ  কুলাউড়ায় ১৩ ইউনিয়নের ৫০ বেহাল সড়কে জনভোগান্তি বাড়ছেই লাগাতার আবেদনের পরও নেই সংস্কারের উদ্যোগ কমলগঞ্জের শুক্লা সিনহার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুলাউড়ায় ২ কোটি টাকার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে গেল প্রবাসীর সন্তান! এলাকায় চাঞ্চল্য কুলাউড়ার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ১০ বাংলাদেশীকে ঠেলে পাঠালো ভারতীয় বিএসএফ

বড়লেখায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত ৮ মাস পর নড়ছে শিক্ষা অফিস

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: বড়লেখা সরকারি (টিটিসি) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার দাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত অবশেষে শুরু হতে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রি ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ স্থানীয় ১৩ এলাকাবাসী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. নূরুল ইসলাম মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা অফিসারকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্তের নির্দেশ দিলেও তা গত আট মাসেও সম্পন্ন হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, জেলা শিক্ষা অফিসের এক প্রধান সহকারী ঘুসের বিনিময়ে তদন্তের নির্দেশনার চিঠি আট মাস ধরে গোপন রাখেন। সম্প্রতি অভিযোগকারীরা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে তাগাদা দিলে তদন্ত কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় হয়। বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নতুন নির্দেশে আগামী সোমবার বড়লেখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিন তদন্তে যাচ্ছেন জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার দাস বিদ্যালয়ের পুরোনো সীমানা প্রাচীর ও লোহার ফটক ভেঙে বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করেন। স্কুল মাঠের ছায়াবৃক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থে কেটে ফেলেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুটি প্রকল্পে (সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও মাঠ ভরাট) ১ লাখ ২ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ পেয়েও কাজ না করে পুরো অর্থ আত্মসাৎ করেন। এছাড়া নতুন ভবন ও ওয়াশব্লক থাকাসত্ত্বেও মেইনটেন্যান্স বাবদ আরও ১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। তদুপরি, নিলাম হওয়া পুরোনো ভবনের ৯৫ জোড়া ডেস্ক-বেঞ্চ, ৫টি টেবিল, ৫টি চেয়ার ও ৬টি সচল ফ্যান সরিয়ে ভাড়া করা গুদামে রাখে। পরে শিক্ষা অফিসের নির্দেশে মুছেগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১৬ জোড়া পাঠিয়ে বাকি ফার্নিচার, গেটসহ পুরোনো মালামাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগকারী তারেক আহমদ বলেন, প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি। পরে বিভাগীয় অফিসে লিখিত অভিযোগ দেই। তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, সোমবার সরেজমিন তদন্ত করতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয়কেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট