1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার আদালতের রায় ২০ বছর পর কুলাউড়ার ডাকাতি মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কুলাউড়ায় ইউএনও পদে রদবদল, দায়িত্বে আসছেন সানজিদা আক্তার কুলাউড়া–জনতাবাজার–প্রতাবী–রাঙ্গিছড়া সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কুলাউড়ায় বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেফতার ৪ মাদক মামলায় ৮ জন, চোরাই মালামাল উদ্ধার কুলাউড়ায় দুর্নীতিবিরোধী স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কুলাউড়ায় র‍্যাব-৯ এর অভিযানে মাদকসহ ৩ জন গ্রেফতার এক হাতে স্ত্রীর হাত, অন্য হাতে ছাতা, নেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী হার্ভার্ডে ২ জন, আরো ৮ চা-কন্যা মেলছে ডানা সিলেটের চা শ্রমিকদের মেধাবী মেয়েরা এখন উচ্চ শিক্ষার বিশ্ব মঞ্চে সিলেটে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে এসে সাতকড়া দিয়ে গরুর মাংস খেলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার আদালতের রায় ২০ বছর পর কুলাউড়ার ডাকাতি মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ষ্টাফ রিপোর্টার: কুলাউড়া উপজেলায় দুই দশক আগে সংঘটিত এক চাঞ্চল্যকর ডাকাতির মামলায় ১৩ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ২০ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডবিধির বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩৯৫ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ আসামির প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫,০০০ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তাদের সবার বাড়ি কুলাউড়া থানার বিভিন্ন গ্রামে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৩ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা পরোয়ানা জারি করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বাকি ১০ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে কুলাউড়া থানার কর্মধা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতবাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে লুটপাট করে এবং একই রাতে একটি জঘন্য অপরাধও সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় মারুফ আহমদ বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক জানান, ওই রাতে ডাকাতির পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছিল। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ধর্ষণ সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশিট দাখিল করা হয়। বর্তমানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই মামলার বিচারিক কার্যক্রম পৃথকভাবে চলমান রয়েছে।

রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, “এই রায় অবশ্যই সমাজে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ডাকাতি একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা একটি পরিবারের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। অপরাধ নির্মূলে এ ধরনের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।”

দীর্ঘ দুই দশক পর বিচার সম্পন্ন হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট