1. kulauradorpon@gmail.com : কুলাউড়ার দর্পণ : কুলাউড়ার দর্পণ
  2. info@www.kulaurardarpan.com : কুলাউড়ার দর্পণ :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে উদ্ধার ভারতীয় নাগরিকের মৃতদেহ হস্তান্তর কুলাউড়ায় ১৩ ইউনিয়নের ৫০ বেহাল সড়কে জনভোগান্তি বাড়ছেই লাগাতার আবেদনের পরও নেই সংস্কারের উদ্যোগ কমলগঞ্জের শুক্লা সিনহার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুলাউড়ায় ২ কোটি টাকার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে গেল প্রবাসীর সন্তান! এলাকায় চাঞ্চল্য কুলাউড়ার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ১০ বাংলাদেশীকে ঠেলে পাঠালো ভারতীয় বিএসএফ মৌলভীবাজার আদালতের রায় ২০ বছর পর কুলাউড়ার ডাকাতি মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কুলাউড়ায় ইউএনও পদে রদবদল, দায়িত্বে আসছেন সানজিদা আক্তার কুলাউড়া–জনতাবাজার–প্রতাবী–রাঙ্গিছড়া সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কুলাউড়ায় বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেফতার ৪ মাদক মামলায় ৮ জন, চোরাই মালামাল উদ্ধার

কুলাউড়ায় ১৩ ইউনিয়নের ৫০ বেহাল সড়কে জনভোগান্তি বাড়ছেই লাগাতার আবেদনের পরও নেই সংস্কারের উদ্যোগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ষ্টাফ রিপোর্টার।। কুলাউড়া অর্ধশতাধিক সড়ক এখন মরণফাঁদ। চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন চরম বিপর্যয়ের মুখে। উপজেলার অন্তত অর্ধশতাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর ইট, বালু ও পিচ উঠে গিয়ে অসংখ্য খানাখন্দ এবং গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এগুলো এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কুলাউড়া সদর-ফুলেরতল বাজার সড়ক, নবাবগঞ্জ বাজার সড়ক, লস্করপুর-লক্ষ্মীপুর সড়ক এবং শ্রীপুর-বনগাঁও সড়কের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। কোনো কোনো সড়ক গত ২০ বছরেও মেরামতের মুখ দেখেনি।

সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে, ফলে সাধারণ পথচারী ও সব ধরনের যানবাহন চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এসব সড়কের এই অবস্থা নিয়ে সংস্কারের দাবি পূরণের আন্দোলনের পরও মেলেনি প্রতিকার। ঝুঁকিপূর্ণ হয় উঠছে। সড়কগুলোর অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে চরম ঝুঁকি নিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। কৃষি খাতে নেতিবাচক প্রভাব: কৃষি প্রধান এ অঞ্চলের কৃষকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য সময়মতো হাট-বাজারে নিতে পারছেন না। পরিবহন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, এসব সড়ক মেরামতের দাবিতে বিগত দিনে তারা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন।

সড়কগুলোর বেহাল চিত্র তুলে ধরে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর অধিকাংশ জায়গায় পিচ ঢালাইয়ের চিহ্নও নেই। দ্রুত সংস্কার করা না হলে এই জনপদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, এসব রাস্তায় এখন চলাচল অসহনীয় হয়ে পড়েছে। এমনকি এসব সড়কগুলো ব্যবহার করে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় যাওয়া আসা করছে। সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় কুলাউড়ার কৃষকরাও উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে হাট-বাজারে নিতে পারছেন না। এর আগে এসব সড়ক মেরামতের দাবিতে বিগত সময়ে ভুক্তভোগী এলাকার লোকজন মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি করে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক লিখিত আবেদন করেন।

কুলাউড়া এলজিইডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সবচেয়ে বেশি ভাঙাচোরা সড়কের মধ্যে রয়েছে কুলাউড়া উপজেলা সদর-ফুলেরতল বাজার ভায়া নবাবগঞ্জ বাজার সড়ক, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের লস্করপুর-লক্ষ্মীপুর সড়ক, শ্রীপুর-বনগাঁও সড়ক ও জনতাবাজার-চৌধুরীবাজার সড়ক।

এছাড়া রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার-কালিটি সড়ক, চৌধুরীবাজার-কৌলা সড়ক, চৌধুরীবাজার-পশ্চিম মুকুন্দপুর সড়ক ও চৌধুরীবাজার-ভবানীপুর-ঢুলিপাড়া সড়কের অবস্থা খুবই করুণ। পৃথিমপাশা ও কর্মধা ইউনিয়নের পূর্ব রবিরবাজার-কর্মধা ইউনিয়ন সড়ক, সদপাশা-ইটাহরি সড়ক, সদপাশা-মুরইছড়া সড়ক ও রাজনগর বাজার-ছৈদল বাজার সড়কেও একই অবস্থা। এছাড়া টিলাগাঁও ইউনিয়নের টিলাগাঁও-বাগৃহাল সড়ক এবং নওয়াবাজার-গুদামঘাটের সড়কেও যাতায়াত এখন অসহনীয় হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, এসব সড়ক মেরামতের দাবিতে বিগত সময়ে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এলজিইডি কুলাউড়ার প্রকৌশলী প্রীতম শিকদার জয় বলেন, কুলাউড়ায় অনেক সড়কে মেরামত কাজ করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে কুলাউড়ায় ছয়টি সড়কের মেরামত কাজ চলমান আছে। চলতি বছরের জুন মাস পর ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন হলে সড়কগুলোর মেরামত কাজ করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট